প্রতি শুক্রবার দুর্গাদেবীর পুজো করতে হয়, নাহলে বিপদ

0 448

শাস্ত্র মতে আজ হল মাতৃশক্তির দিন। তাই তো প্রতি শুক্রবার মা দুর্গার নানা রূপের আরাধনা করার পরামর্শ দেওয়া হয়ে থাকে। কারণ এমনটা করলে জীবন অনন্দে ভরে উঠতে সময় লাগে না, বিশেষত মা পার্বতীর পুজোর আয়োজন করলে তো মেলে একাধিক সুফল, যে সম্পর্কে এই প্রবন্ধের পরবর্তি অংশে বিস্তারিত আলোচনা করা হবে।

 

প্রসঙ্গত, মা দুর্গা, মা লক্ষ্মী এবং সরস্বতী, এই তিন দেবীকে এক সঙ্গে “ত্রীদেবী” বলা হয়ে থাকে। এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে প্রতি শুক্রবার মা পার্বতীর আরাধনা করার পাশপাশি যদি মা লক্ষ্মী এবং সরস্বতীরও পুজো করা যায়, তাহলে নাকি আরও বেশি মাত্রায় উপকার মেলে। তাই তো বলি বন্ধু, মাতৃশক্তির আশীর্বাদে বাকি জীবনটা যদি সুখ-শান্তিতে এবং আনন্দে কাটাতে হয়, তাহলে ত্রীদেবীর আরাধনা করতে ভুলবেন না যেন! মানব সমাজ যখনই পাপ এবং হিংসার অন্ধকালে ঢেকেছে, তখনই নানা রূপে এই ধরাধামে আর্বিভাব ঘটেছে মা পার্বতীর। যেমন মহিষাসুরকে বধ করতে মা পার্বতী এসেছিলেন মা দূর্গা রূপে। কালি রূপে এসেছিলেন খারাপ শক্তিকে ধ্বংস করে মানব কূলকে আলোর সন্ধান দিতে। আবার যখন অসুরদের দাপাদাপি বেড়েছে, তখন চন্ডী রূপে আর্বিভাব ঘটেছে মায়ের। এছাড়াও কখনও মীনাক্ষী, তো কখনও ললিতা, অখিলেন্ডশ্বরী, আবার কখনও অন্নপূর্ণ রূপে এই ধরাধামে আর্বিভাব ঘটেছে দেবী পার্বতীর। কিন্তু প্রশ্ন হল মা পার্বতীকে বাড়িতে স্থাপন করে প্রতি শুক্রবার বিশেষ পুজোর আয়োজন করলে সত্যিই কি কোনও সুফল মেলে? একেবারেই! এমনটা করলে গৃহস্থে মাতৃশক্তির আগমণ ঘটে। ফলে বাড়ির প্রতিটি কোণায় পজেটিভ শক্তির মাত্রা এতটা বেড়ে যায় যে তার প্রভাবে একাধিক উপকার মেলার সম্ভবনা যায় বেড়ে। যেমন ধরুন…

 

মনের মতো জীবনসঙ্গী মেলে: এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে নিয়ম করে প্রতি শুক্রবার দেবীর অরাধনা করলে মনের মতো জীবনসঙ্গী পাওয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, মায়ের আশীর্বাদে বৈবাহিক জীবনে কোনও ধরনের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও যায় কমে।

 

মিসক্যারেজের আশঙ্কা কমে: একেবারেই ঠিক শুনেছেন বন্ধু! হিন্দু শাস্ত্র নিয়ে যারা চর্চা করেন, তাদের মতে দেবী পার্বতীর অরাধনা করা শুরু করলে বাবা-মা হোয়ার স্বপ্ন পূরণ হতে যেমন সময় লাগে না, তেমনি প্রসবের সময় কোনও ধরনের সমস্যা মাথা চাড়া দিয়ে ওঠার আশঙ্কাও যায় কমে। বিশেষত মিসক্যারেজের সম্ভাবনা একেবারে কমে যায়। তাই তো বলি বন্ধু, হাজারো চেষ্টার পরেও যাদের বাবা-মা হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হচ্ছে না, তারা নিয়ম করে মা পার্বতীর অরাধনা করতে ভুলবেন না যেন!

স্বামীর কোনও বিপদ হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে: এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বিবাহিত মহিলারা যদি নিয়ম করে প্রতি শুক্রবার দেবীর অরাধনা করেন, তাহলে স্বামীর কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তো কমেই, সেই সঙ্গে জীবনসঙ্গীর আয়ুও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

 

স্বামীর কোনও বিপদ হওয়ার আশঙ্কা যায় কমে: এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে বিবাহিত মহিলারা যদি নিয়ম করে প্রতি শুক্রবার দেবীর অরাধনা করেন, তাহলে স্বামীর কোনও ধরনের ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তো কমেই, সেই সঙ্গে জীবনসঙ্গীর আয়ুও বৃদ্ধি পায় চোখে পরার মতো।

 

শুক্র গ্রহের কুপ্রভাব কেটে যায়: এমনটা বিশ্বাস করা হয় যে আজ উপোস করে দেবীর পুজো করলে শুক্র গ্রহের সুপ্রভাবে পরতে শুরু করে। সেই সঙ্গে জন্মকুষ্টিতে শুক্রের খারাপ প্রভাব কাটতে শুরু করে। ফলে রোগ-ব্যাধির প্রকোপ যেমন কেটে যায়, তেমনি পরিবারে সুখ এবং সমৃদ্ধির ছোঁয়া লাগতেও সময় লাগে না। শুধু তাই নয়, শুক্রের প্রভাবে বৈবাহিক জীবনও অনন্দে ভরে ওঠে। সেই সঙ্গে পরিবারের কারও সঙ্গে কোনও খারাপ কোনও ঘটনা ঘটার আশঙ্কাও যায় কমে।

Leave A Reply

Your email address will not be published.

This website uses cookies to improve your experience. We'll assume you're ok with this, but you can opt-out if you wish. Accept Read More